বৃষ্টিরা ঝাঁপিয়ে পড়ছে ,দেখো ,সমুদ্রের ঢেউয়ে ঢেউয়ে ,ঝড়ো হাততালি ,
হাওয়া উড়ছে রাত্রির জোনাকির মতো ,কিছু অলৌকিক রহস্যের বালি
লাগে চোখে মুখে আর ডানার ঝাপটার মতো গজরায় ক্রুদ্ধ অন্ধকার ,
আকাশে গর্জন কোরে আমার জানলায় মারে টোকা ,যেন সব একাকার।
কেন এই একাকার হোয়ে যাওয়া সবকিছু ,ইতিহাস ,ভৌগোলিক ভুল ,
সবুজ পাতার মতো ধীরে ধীরে পীত হয় ,প্রকৃতির এই তো উসুল।
বিরাট শিরীষ গাছ ,গুঁড়ি অবদি কাটা ,দেখি, তারও আছে বাঁচবার মন ,
কাটা -কাঁধে ভরে ওঠে সবুজ -উচ্ছ্বাসে -ভরা কত পাতা ,কত উচাটন।
দুপুরের রৌদ্র এসে বারান্দার কাঁধে রাখে বহু চেনা ,বহুবার ভালোবাসা হাত ,
শান্ত গরম -হাওয়া ছায়া দেখে শান্ত হোতে উড়ে এসে বসে অকস্মাৎ।
কাক চিল শালিখের সংসারের কতো না আনন্দ -ভরা জানলা -খোলা দিন ,
পার কোরে যাই আমি ,পথ এসে মরুভূমি হোয়ে -যাওয়া -রুক্ষতায় হোয়েছে বিলীন।
বৃষ্টিরা ঝাঁপিয়ে পড়ছে ,দেখো ,সমুদ্রের ঢেউয়ে ঢেউয়ে ,যেন জল অবিশ্বাস্য নোনা ,
সমস্ত জীবন ধরে এ কোন বালির ঘর বানিয়েছি ,ভেবেছি যে বালি যেন সোনা।
নিমের পাতার গন্ধ ম্যাগ্নলিয়ার মতো শাদা হাত ,করুণ -পোষাক -পরে ঘোরে শূন্যতায় ,
খাও আইসক্রিম ,ধরো ,আমার এ শূন্য হাত ,সন্ধ্যা আসে অসহায় আলোহীন অববাহিকায়।
সন্ধ্যা ঘনায় দেখে চারিদিকে অন্ধকার মনের ভিতরে আসে টোকা মেরে বড় চুপিচুপি ,
আলোহীন ল্যাম্প পোস্ট ,ছোট ছোট কুঁড়ের মতোন ঘরে জ্বলে শুধু লুপ্তপ্রায় কুপি।
বৃষ্টিরা ঝাঁপিয়ে পড়ছে ,দেখো ,হলুদ -ঝিলিক -মারা ডোরাকাটা বাঘের মতোন ,
এসো আজ ,ধরো হাত ,দাশ হোয়ে শব্দের -শূন্যতা দেখো অনিকেত ঘোরে অনুক্ষণ।
.........................................................