তপ্ত দুটি পায়ের পাতায় লুটিয়ে পড়ে সমুদ্রের ওই জল ,
পদ্ম -ফোটা কুসুম যেন রাস্তা -জোড়া বরফই সম্বল ।
হাতের ওপর ঘর -ভাঙা ঝড় ,ও ঘর থেকে ডাকছে ননদিরা ,
বন কেটে লোক বসত করে ,গীর্জা -ঘরে ভজন করে মীরা ।
হলুদ রঙের তপ্ত -বালু ,সুগোল আলু ,উঠছে ধোঁয়া দূরে ,
উড়ছে ধূলো ,হাঁটছে নুলো ,তার বরাভয় দাপায় অশ্বক্ষুরে ।
তোমায় যদি বহতা -নদী ইংগিতে কয় সশ্রস্ত রোদ্দুরে ,
তার বারতা ,নিজস্বতা ,আসছে ধেয়ে ঝড়ের গলার সুরে ।
আমি তো তাই ,বগল বাজাই ,জাগিয়ে তুলি না শোনা এক ধ্বনি ,
মার্চ করে যায় ,শেখানো দায় ,জ্বলছে দেখো না -দেখা এক মণি ।

No comments:
Post a Comment