Saturday, 21 March 2015

দীপাদির স্মরণে : তোমাকে ছুঁয়েছে মৃত্যু





তোমাকে ছুঁয়েছে মৃত্যু  , আগুনের শিখা  , তাই  তুমি তো অমর ,
নদীর ওপারে তুমি হেঁটে হেঁটে চলে যাও ,অন্ধকার কেটে গিয়ে ভোর
চাদরের ওম ছেড়ে মারে উঁকি  , জড়ায় তোমাকে হাওয়া আদরালিঙ্গনে।
তোমাকে ছুঁয়েছে মৃত্যু  , আগুনের শিখা , তুমি নতুন বিজনে

একা একা মহাকাশে ,বিভিন্ন প্রকার শক্তি এসে হবে বান্ধব তোমার ,
তুমি মুক্তি চাও বলে ,পথ খুলে যায় সামনে কেটে অন্ধকার।
যেমন ক্ষুদ্র বিন্দু মিশে যায় বৃহৎ বিশাল সব বিন্দু সমাহারে।
সেই সমাহার পাবে অনন্ত শুন্যতা জুড়ে ,কাকে ছেড়ে কাকে নেবে পাড়ে ?

ভেসে যেতে যেতে পথে পাবে সব অন্ধকারে  - সৃষ্টিময় আলো ,
অনন্ত নদীর পাশে বসে বসে ,অমর্ত্য ছায়াকে দেখে হৃদয় জুড়ালো ?
তুমি তো বিন্দু- সম  ,অথচ হৃদয় আছে ,শুধু নেই দুঃখ বেদনার বাহুডোর ,
তোমাকে ছুঁয়েছে মৃত্যু ,আগুনের শিখা ,তাই তুমি তো অমর।

                          ...............................





Wednesday, 4 March 2015

আমি তার ,একমাত্র তার






অচেনা বিলোল গন্ধে চেয়ে দেখি , নিকটের মাঠখানি ভরে আছে ফুলে ,
এ কেমন ফুল হয়ে দাঁড়ালে আমার সামনে ,সদ্য -স্নান -শেষ -হওয়া চুলে। 
অসম্ভব নোংরা রাস্তা ,পচা গন্ধ ,নর্দমার থেকে তোলা পিচ -রঙা কাদা ,
অন্ধকারে ছেয়ে থাকা চারিদিক হয়ে যায় ম্যাগ্নলিয়ার মতো অমলিন শাদা। 

তুমি তো চন্দন হও , জঙ্গলের রাজা হয়ে বসে থাকো বয়োবৃদ্ধ শাল ,
তুমি তো রঙেরও রাজা - কমলা ,বেগুনী ,নীল ,হলুদ ,সবুজ আর লাল। 
আকাশের নীল ছিঁড়ে ছুটে চলে যায় ওই পাখির  - শিকারী -হওয়া বাজ ,
গভীর সিন্ধুর বুকে দুলে দুলে ভেসে যায় , শঙ্খচিল  -অনুসৃত হৃদয়ের বিদগ্ধ -জাহাজ। 

যে ঘ্রাণ উঠেছে আজ রাস্তা ঘাটে অন্ধ হয়ে বসে -থাকা বন্দরের জলে ,
ও বাড়ির বারান্দায় রঙিন  - শাড়ির মত ঝুলে থাকো তুমি এক রূপ ঝলমলে। 
রাত্রি গভীর হয় ,রাত্রি গভীর হলে জীবন্ত হয়ে ওঠে একা হয়ে শুয়ে থাকা দূরের পাহাড়। 
আমার সমস্ত সত্বা , অস্থি ,রোম ,বেঁচে -থাকা চিতকার করে বলে আমি তার ,একমাত্র তার।