Sunday, 26 October 2014

তোমাকে দেখি অরুণাভ আলোয়






সিংহের মতো গর্জন কোরে এগিয়ে আসছে ঢেউগুলি  -
পর্দাটা সরিয়ে দাও ,শ্রাবণের বর্ষার মতো ঢুকে আসুক 
তরল অগ্নিময় আনন্দ , আর ফেনময় সোডার মতো সুখ। 

সূর্য উঠছে চোখের পাতায় ,নাশারন্ধ্র দিয়ে বয়ে চলেছে 
অবিরাম দক্ষিণের পবন  - বসন্তের দেরি নেই আর ,
ফুটে উঠেছে ফুটে ওঠার আনন্দ চারিদিকে ,ফুলকাটা 
পর্দার মতো চারিদিক ভাসিয়ে এগিয়ে আসছে সজাগ অনুভূতি 
তুমি মুখ ঘোরাও - তোমাকে দেখি অরুনাভ আলোয়।     

নিয়তি






এই তো একটু আগে ,ভালোবাসা বসেছিলো
                                            প্রজাপতি হোয়ে ঘাসফুলে  -
কাঁটা হোয়ে গৃহিনীর সোয়েটার বুনবার পেলব ওই ঊলে।
এই তো একটু আগে যে দোয়েল কর্মকান্ডে লুকোলো বাসায় ,
আমারও তো চোখ যায় ,তার খোঁজে ,তার পিছু পিছু
                                                                  চলে যায়।

বিরাট আকাশ এসে নীল হোয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে বারান্দায় ,
এতো কাছে ,যদি চাই ,হাত ধরে কথা বলা যায়।
আড়া মোড়া ভেঙে নেয় সামনের সুন্দরী দশ তলা বাড়ি ,
দাঁত মেজে রেডি হোয়ে মাঠে যাবে দৌড়ুতে ,বার করে গাড়ি।

ভালোবাসা শুয়োপোকা হোয়ে দেখে চোখ তুলে চেয়ে ,
ভালোবাসা উঠে যায় ভালোবাসা দেবে বোলে ,গাছ বেয়ে বেয়ে।
পাতাদের কাছে তার সখ্যতা আছে ,আছে উন্মীলন।
মৃত্যুকে বরণ কোরে হবে তার নতুন জীবন
                                                          হোয়ে প্রজাপতি  -
পালটে পালটে যায় ভালোবাসা ,এ তার নিয়তি।

                       ........................ 

Saturday, 25 October 2014

জামার হাতায় রেখে মন





জামার হাতায় রেখে মন ,আমি ঘুরেছি বিজন -
আত্মার আত্মীয় হোয়ে সাজিয়েছি ঘাসের এ বন।
বৃক্ষের ছায়ায় এসে ছলচ্ছল  নদী হোয়ে ভেসে গেছি দূরে ,
আমার এ অন্ধকারে আলো হোয়ে এলো ওই শব্দ অশ্বক্ষুরে।

ভ্রমন -পিপাসু রক্তে ,জীবনে হতাশা নয় ,সন্ধ্যার ছন্দ দিয়ে বাঁধা ,
আমি জানি হাঁটু গেড়ে ,বিশুদ্ধ এ পথ ছুঁয়ে ,দীর্ঘ ক্ষণ ধরে শুধু  কাঁদা।
পথের দুধারে শুধু অরণ্য -মদির মেঘ দাঁড়িয়েছে ,পতাকাটি নড়ে ,
তোমার ও পায়ে মন ,না জানি কতক্ষণ ,সময়ের অশ্রু গুলি ঝরে।

এখনও তো মগ্ন হোয়ে আছি ওই ধরে হাত তোমার বাগানে ,
বিভিন্ন ফলের রসে -আমের ,জামের ,বন্ধু ভ্রমরও তো আনে ,
দূরের পাহাড় থেকে মেঘে -ভাসা পাতাটির মনের বকুল
এখনও তো পাই টের ,গভীর গভীরে ফের কেঁপে ওঠে স্বর্ণময়ী দুল।

                     ........................................


Tuesday, 21 October 2014

খুলে যায় হৃদশতদল






কোনো যুদ্ধ নেই অন্ধকারের সঙ্গে অন্ধকারের
                আলোর সঙ্গে আলোর
      যুদ্ধ শুধু অন্ধকারের সঙ্গে আলোর
                শাদার সঙ্গে কালোর

বাগবাজারের গঙ্গার ঘাটে
         ব্রাহ্মণ পুরোহিতের দোদুল্যমান শিখায়
                                             ঝোলে গাঁদা
আর, কাপড়ের প্রান্তে তার
                            শুধু চাল আর কলা বাঁধা 
এখানে কোনো অন্ধকার নেই
                          এখানে নেই কোনো আলো
নেই কোনো শাদা            নেই কোনো কালো  
এসব যখন লিখছি ,তখন
         ভয়ংকর শব্দ কোরে বিদ্যুত চমকালো 
বোধহয় কোথাও বৃষ্টি হবে ভিজবে কোথাও মন
বোধহয় কোথাও নদীর কাছে জানবে এ জীবন
পাথর কেটে কিভাবে এগিয়ে যায়
                                           স্রোতবতী জল
কিভাবে দুঃখের শব্দে
                       চোখের আকাশ ভেজে
             খুলে যায় হৃদ্শতদল        

        .......................................                  

Sunday, 19 October 2014

হলুদ বসন্ত






সূর্যমুখী ফুলে যখন ঢেউ খেলে বসন্তের হলুদ ভালোবাসা
জানলার -পাখিগুলো ক্যামেরার চোখ হোয়ে উদগ্রীব চেয়ে থাকে।
সামনের বাড়ির পলকা -ডট -যুবতী -কুক্কুরী
একটি তাগড়া মুসলমানী মোরগের অনায়াস ডাকে
উদাস কাটিয়ে দেয় সারাসকাল আর আইসক্রিমের গাড়ি
চকোলেট -বার বেচতে বেচতে ক্লান্ত হোয়ে
নবনীতার বারান্দায় সাইবেরিয়ার বরফ হোয়ে বোসে থাকে।
পাইনের ঠান্ডা ছায়ায় আরাম কোরে জিরোয় ,কোলকাতা।
শালিখের অভিযোগের কোনো সুরাহা করতে না পেরে
মনোহর দাস তরাগের পূণ্যকর্ম
মানুষ যাতে সহসা বিস্মৃত না হয় ,তার ব্যবস্থা করতে
বার করে এক মহামিছিল ,জমায়েত হয়
তাবৎ জেলার নারী পুরুষ মনুমেন্টের নিচে  আর
চিঁড়িয়াখানা দেখার পর রাত্তিরে
গ্র্যান্ড হোটেলের গাড়ি বারান্দার নিচে
প্রসব করে শতাব্দীর মহাবিস্ময় -
এই কথা শুনে আকাশে ভাসমান অবস্থায়
পুরীষ ত্যাগ করে এক পূন্যবান কাক আর
কালীঘাট ক্রিকেট ক্লাবের মাঠ থেকে
সহসা একটি আপেল -লাল -ডিউস বল
সিক্সার হোয়ে ফাটিয়ে দেয়
দুর্বল চৌরঙ্গীর মহাপথ এই মহাশাসনে।
তবু সূর্যমুখীর ঘুম ভাঙে না , হলুদ বসন্তের ঢেউ
খেলতে থাকে ,খেলতেই থাকে ,আর
যৌবন -সমুদ্রের সুন্দরী বেলাভূমিতে শুয়ে রোদ পোয়ায়
ক্যামেরুন ডিয়াজ।
   

আগুনের অশ্রু জলে






আমি আসছি ,সুপ্রতীক ,আপনি চলে যাবেন না।
এখনও রৌদ্র ছুঁয়ে রয়েছে কার্নিশের ভাঙা কোণ।
আমি আসছি, সুপ্রতীক ,আপনি চলে যাবেন না।
পাইন -জঙ্গলের -ছেঁড়া -জামায়
                        এখনও শরীরের গন্ধ লেগে আছে।

আমার ক্ষিদে পেয়েছে ,সুপ্রতীক ,আমি খেয়েই আসছি ,
আপনি চলে যাবেন না যেন হুট কোরে।
ও: কতো দিন পরে দেখা হবে
                                     আপনার সঙ্গে আমার !
পদ্ম পাতার উপরে থেবড়ে বসে
এখনও কামনা জানায় ,কোলা ব্যাঙ ,শব্দ কোরে।
নি:শ্বাস -বন্ধ -কোরে ,জলের নিচে ,একসো ন্যটিকাল মাইল !
আপনার ক্ষমতা আছে ,সুপ্রতীক !

মনের মধ্যে এই সব ছেঁড়া ছেঁড়া কথা বলতে বলতে আমি হাঁটি ,
হাঁটতে হাঁটতে কখনও দৌড়ই।
দেখা হবে তো  ?
কত দিন পরে দেখা হবে আবার !

আমি পৌঁছবার অনেক অনেক আগেই
পায়ে -হাঁটা -লোকের -কাঁধে
পৌঁছে যায় ,সুপ্রতীক।
আমি পৌঁছতেই
আড়া -আড়ি -সাজানো -কাঠের ওপর উঠে বোসে
আমাকে বলে -"দেখা হোলো তাহলে ,শেষমেষ "!
আর আমার বুকের মধ্যে সহসা
এক জঙ্গল পাইন গাছ
জ্বলে উঠলো দাউ দাউ কোরে।
গুমোট অন্ধকার ভেসে গেলো
                     আলো আর আগুনের অশ্রুজলে।

           ......................................     

Saturday, 18 October 2014

শুভ্রেন্দু গঙ্গোপাধ্যায়ের পদকমলে নিবেদিত






শুভ্রেন্দু গঙ্গোপাধ্যায়
সর্বদা নাড়েন কড়া
                   ঈশ্বরের গোপন দরজায়।
পথে পথে ,অলিতে গলিতে ,
ফুলে ফুলে তার চিহ্ন -
                           না -ফোটা কলিতে।
ওঠে সূর্য ,ওঠে চন্দ্র ,তারা -
সবাই শুনেছে তার
                 সশব্দ ব্যাকুল কড়া -নাড়া।
শুভ্রেন্দু গঙ্গোপাধ্যায়
আজ চেনা ,কাল তিনি
                   দূরবর্তী দ্বীপ -চেনা দায়।

              ...................

বৃষ্টিরা ঝাঁপিয়ে পড়ছে ,দেখো








বৃষ্টিরা ঝাঁপিয়ে পড়ছে ,দেখো ,সমুদ্রের ঢেউয়ে ঢেউয়ে ,ঝড়ো হাততালি ,
হাওয়া উড়ছে রাত্রির জোনাকির মতো ,কিছু অলৌকিক রহস্যের বালি
লাগে চোখে মুখে আর ডানার ঝাপটার মতো গজরায় ক্রুদ্ধ অন্ধকার ,
আকাশে গর্জন কোরে আমার জানলায় মারে টোকা ,যেন সব একাকার।

কেন এই একাকার হোয়ে যাওয়া সবকিছু ,ইতিহাস ,ভৌগোলিক ভুল ,
সবুজ পাতার মতো ধীরে ধীরে পীত হয় ,প্রকৃতির এই তো উসুল।
বিরাট শিরীষ গাছ ,গুঁড়ি অবদি কাটা ,দেখি, তারও আছে বাঁচবার মন ,
কাটা -কাঁধে ভরে ওঠে সবুজ -উচ্ছ্বাসে -ভরা কত পাতা ,কত উচাটন।

দুপুরের রৌদ্র এসে বারান্দার কাঁধে রাখে বহু চেনা ,বহুবার ভালোবাসা হাত ,
শান্ত গরম -হাওয়া ছায়া দেখে শান্ত হোতে উড়ে এসে বসে অকস্মাৎ।
কাক চিল শালিখের সংসারের কতো না আনন্দ -ভরা জানলা -খোলা দিন ,
পার কোরে যাই আমি ,পথ এসে মরুভূমি হোয়ে -যাওয়া -রুক্ষতায় হোয়েছে বিলীন।

বৃষ্টিরা ঝাঁপিয়ে পড়ছে ,দেখো ,সমুদ্রের ঢেউয়ে ঢেউয়ে ,যেন জল অবিশ্বাস্য নোনা ,
সমস্ত জীবন ধরে এ কোন বালির ঘর বানিয়েছি ,ভেবেছি যে বালি যেন সোনা।
নিমের পাতার গন্ধ ম্যাগ্নলিয়ার মতো শাদা হাত ,করুণ -পোষাক -পরে ঘোরে শূন্যতায় ,
খাও আইসক্রিম ,ধরো ,আমার এ শূন্য হাত ,সন্ধ্যা আসে অসহায় আলোহীন অববাহিকায়।

সন্ধ্যা ঘনায় দেখে চারিদিকে অন্ধকার মনের ভিতরে আসে টোকা মেরে বড় চুপিচুপি ,
আলোহীন ল্যাম্প পোস্ট ,ছোট ছোট কুঁড়ের মতোন ঘরে জ্বলে শুধু লুপ্তপ্রায় কুপি।
বৃষ্টিরা ঝাঁপিয়ে পড়ছে ,দেখো ,হলুদ -ঝিলিক -মারা ডোরাকাটা বাঘের মতোন ,
এসো আজ ,ধরো হাত ,দাশ হোয়ে শব্দের -শূন্যতা দেখো অনিকেত ঘোরে অনুক্ষণ।

                        .........................................................

Sunday, 12 October 2014

জীবন নামক পথে






ঘরের ভেতরে আরও আছে চাঁদ আকাশের চাঁদের মতন  -
প্রথমা দ্বিতীয়া থেকে পঞ্চদশী চাঁদ নিয়ে আছে ওই নভনীল মন।
তোমার মনের কথা ধোঁয়ার মতন ওঠে ,
                                 ভেসে যায় ,যেমন পাখিরা যায় ভেসে ,
শব্দের সমস্ত রূপ বাক্যবন্ধ হোয়ে ঝোলে তোমার ওই কেশে।

একবার কবে জানি ,মনে নেই ,বহুদিন হবে হয়তো বা ,
পরিপূর্ণ বাঘ এক নরম মাংসের লোভে ও শরীরে মেরেছিলো থাবা।
রক্ত তো দুঃখের কোনো প্রতিচিত্র নয় কিম্বা নয় কোনো মতিশ পিকাসো ,
আঘাত তো শারীরিক ,মন তো নদীর জল - চিত হোয়ে ভাসো।

ভেসে ভেসে চলে যাও বহুদূরে যেখানে আকাশ মেশে অনন্তের সাথে।
তারপর চুপ করে ,পাখির মতোন দুটি ডানা মুড়ে ,অসামান্য স্বল্প দীর্ঘ্য রাতে ,
বসে দেখো চোখ খুলে ,শোনো গান কানের ভিতর দিয়ে
                                                          যা করে হৃদয়ে প্রবেশ গভীরে ,
জীবন নামক পথে ,জ্বলে ওঠে ,সারিবাঁধা নকশা -অনুগামী যতো
                                                           আলো ওই নদীটির তীরে।
                             ...........................
                              

অনন্ত হৃদয়পুরে অজানা উত্সব






পৃথিবীর সব আলো ,সব ভাষা ,সব অন্ধকার ,
ফানুসের মতো যায় ভেসে ভেসে যেদিকে যাবার। 
উত্তরে দক্ষিনে পূবে ,কেউ যায় হৃদয়ের টানে ,
কেউ স্থির হোয়ে থাকে চোখের পাতার ভিড়ে স্তব্ধ -অভিমানে। 

মাচার লাউএর মতো যাবতীয় সুখ দুঃখ ঝুলে আছে সব ,
যেন এ পৃথিবী জুড়ে ,অনন্ত হৃদয়পুরে অজানা উত্সব। 
কাঁটা গাছে ফুল হয় ,সাহারাও দিতে পারে জলের সন্ধান ,
সবার ত্বকের নীচে রক্ত -মাংস -মাখা -হোয়ে জেগে আছে প্রাণ। 

দুরের পাহাড় খানি অন্ধকারে আছে ডুবে জোনাকির -আলোগুলি মেখে ,
ঝিকমিক কোরে জ্বলে এ বিশ্ব -আকাশ তলে কি যে এতো লেখে -
অসম্ভব পদাবলী ,ছন্দ মিল ভাষা -ব্যবহার সব আশ্চর্য -অবাক ,
দেখে মুখ হাঁ হয় ,চোখ বড়ো বড়ো হোয়ে হয় রুদ্ধবাক। 

পৃথিবীতে এতো আলো ,এতো উজ্জ্বলতা তার ,নেই অন্ধকার ,
বাগানে গাছের কোণে বসে আছে আলো মেখে মুখশ্রী সবার। 
পাখির কাকলি হোয়ে ভোরের বাতাস এসে বসে বারান্দায় ,
বৃষ্টির কালো মেঘ সে কোন ম্যাজিকে যেনো শাদা হোয়ে যায়। 

                    ...............................

আমাদের এ পৃথিবী






সকালে রাত্রির গন্ধ ,রাত্রি জুড়ে সকালের আলো ,
অসুখের চিহ্ন নেই ,পৃথিবীতে সব সুস্থ ভালো।
বটের ফলের মতো লাল রঙে ছেয়ে আছে গাল -
আমার সকাল খানি নীলের আভাষে নীল স্বর্ণময়ী লাল।

সুপক্ক ধানের রূপে পৃথিবীর সুন্দরীরা ম্লান ,
জলে ডোবা পথ ঘাট ,কার্নিশে শ্রাবণের গান।
কোথা থেকে ভেসে আসে ভালোবাসাবাসি -করা মেঘ ,
জড়ো হোয়ে আছে যেনো অভিমান -বহতা আবেগ।

কোথাও শাঁখের ডাকে মা দূর্গা দেবীর শক্তি ফোটে ,
কোথাও ঘাসের ঘরে ভালোবাসা ফুল হোয়ে ওঠে।
ভাতের গভীর গন্ধ লোকালে ঝুলতে ঝুলতে যায় শেয়ালদায় ,
চাঁদখানি নেমে এসে  বলে আয় টিপ দেবো আয়।

সকালে রাত্রির গন্ধ ,রাত্রির গায়ে আজ জ্বর ,
ভালো -থাকা ডানা -মেলে যায় যেন হয়েছে অমর।
অনেকদিনের পরে সূর্যের শেষ আলো নদীটির জলে ,
নিজেকে সজীব করে সুন্দরীদের মতো পলে অনুপলে।

বটের পাতাটি ঝরে বৃষ্টি -বাহন -হওয়া হাওয়াটির বেগে ,
সুখের মাটিটি ফুঁড়ে দুঃখের  চারাগাছ উঠিয়াছে জেগে।
যেন বা ঘুমের মধ্যে ঘন ঘুমে ছিলো সে অধীর ,
আমাদের এ পৃথিবী ভালো -মন্দ নিয়ে আছে স্থির।

             ............................