অচেনা বিলোল গন্ধে চেয়ে দেখি , নিকটের মাঠখানি ভরে আছে ফুলে ,
এ কেমন ফুল হয়ে দাঁড়ালে আমার সামনে ,সদ্য -স্নান -শেষ -হওয়া চুলে।
অসম্ভব নোংরা রাস্তা ,পচা গন্ধ ,নর্দমার থেকে তোলা পিচ -রঙা কাদা ,
অন্ধকারে ছেয়ে থাকা চারিদিক হয়ে যায় ম্যাগ্নলিয়ার মতো অমলিন শাদা।
তুমি তো চন্দন হও , জঙ্গলের রাজা হয়ে বসে থাকো বয়োবৃদ্ধ শাল ,
তুমি তো রঙেরও রাজা - কমলা ,বেগুনী ,নীল ,হলুদ ,সবুজ আর লাল।
আকাশের নীল ছিঁড়ে ছুটে চলে যায় ওই পাখির - শিকারী -হওয়া বাজ ,
গভীর সিন্ধুর বুকে দুলে দুলে ভেসে যায় , শঙ্খচিল -অনুসৃত হৃদয়ের বিদগ্ধ -জাহাজ।
যে ঘ্রাণ উঠেছে আজ রাস্তা ঘাটে অন্ধ হয়ে বসে -থাকা বন্দরের জলে ,
ও বাড়ির বারান্দায় রঙিন - শাড়ির মত ঝুলে থাকো তুমি এক রূপ ঝলমলে।
রাত্রি গভীর হয় ,রাত্রি গভীর হলে জীবন্ত হয়ে ওঠে একা হয়ে শুয়ে থাকা দূরের পাহাড়।
আমার সমস্ত সত্বা , অস্থি ,রোম ,বেঁচে -থাকা চিতকার করে বলে আমি তার ,একমাত্র তার।

No comments:
Post a Comment