আমি তো জানিনা কিছু ,তবু দয়া পায়ে হেঁটে ,এসেছে আমার পিছু পিছু ,
উঠোনে দাঁড়িয়ে ডাকে ,খাটের গোপন ফাঁকে ,অন্ধকারে দেয় সব কিছু।
বাতাসের মত আসে ,অস্তাচলের পাশে ,গড়ে দেয় বড় ইমারত ,
ফুলেরই মতন ফোটে ,ভালোবাসা স্পীডবোটে ,ধীরে ধীরে মুক্ত হয় হারানো জগৎ।
এই কি শৃঙ্খল -ভাঙা ,জলের এই কি ডাঙা , স্টেশনের থেকে হাঁটা পথ ,
পিছে ফেলে মুদিখানা ,ছিলো বটে মুন্সিয়ানা ,ছিলো দূরে ছড়ানো পর্বত।
তারই আড়াল থেকে ওঠে ডাক গন্ধ মেখে ,পাইনের বিস্তৃত সমাজে ,
সমাজসেবীরা ঘোরে ,ছায়ার শীতলে পোড়ে ,আমি রূপ ব্যস্ত আছি কাজে।
তুমি তো আকাশে ছিলে ,ও বিশাল নভোনীলে , ও অতল দূর শূন্যতায় ,
আমার ভাষার মুখ , ছিলো সদা উৎসুক , সর্বদা মুক্ত হতে চায়।
দেখি মুক্তি অসমর্থ ,দিতে ভাষা দিতে অর্থ ,মঞ্চ আছে পর্দার আড়ালে ,
মিশে গেছে সব পথ , যার রাস্তা তারই রথ ,তারই পাতা সাজে ডালে ডালে।
-------------------------------
No comments:
Post a Comment